20 C
Dhaka
রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪, | সময় ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ

১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস মেঘনা নদীতে সব ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা

অহিদুর রহমান মানিক,লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:  

১ মার্চ রোজ মঙ্গলবার থেকে ৩০‌ এপ্রিল পর্যন্ত টানা দুই মাস মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। জেলা মৎস্য অফিস গতকাল রোববার এই তথ্য জানানো হয়।জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞার সময় প্রতি জেলে ৮০ কেজি ভিজিএফের চাল পাবেন। জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায় , লক্ষ্মীপুর জেলায় ৫২ হাজার জেলে রয়েছে। এদের মধ্যে নিবন্ধিত জেলে ৪৩ হাজার। তাঁরা সবাই মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস নদীতে সব ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।এ সময় লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত এক শ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ সময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ , আহরণ , পরিবহন , বাজারজাতকরণ ও মজুদকরণ নিষিদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া বরফ কলগুলো বন্ধ থাকবে। জেলেদের সচেতন করার জন্য নদী এবং উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংসহ সব ধরনের প্রচার অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ। নিষেধাজ্ঞার সময় মার্চ – এপ্রিল দুই মাস প্রতি জেলেকে ৮০ কেজি হারে খাদ্য সরবরাহ করা হবে । 
জেলেরা জানান , জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনে সরকার যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে , তা মেনে তাঁরা নদীতে যাবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন । কিন্তু জেলেদের পুনর্বাসন করার কথা থাকলেও সেটা এখন পর্যন্ত হয়নি। যে পরিমাণ জেলে রয়েছে , পরিমাণ সরকারি খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ করেন জেলেরা।নিষেধজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য বরাদ্দ চাল বণ্টনে যেন কোনো অনিয়ম না হয় , তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা। মৎস্য কর্মকর্তা মো . আমিনুল ইসলাম জানান , নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে মৎস্য বিভাগ , উপজেলা – জেলা প্রশাসন , পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রতিদিন অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে নামলে জেল – জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে । এরপরও যারা আইন অমান্য করে নদীতে যাবে , তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত বছরের অভিযান সফল হওয়ায় ইলিশের উৎপাদন কয়েক গুণ বেড়েছে। এবারও অভিযান সফল হলে অধিক পরিমাণ ইলিশ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে লক্ষ্মীপুর -২ আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন , জেলেদের পুনর্বাসন করতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যেন প্রতিটি জেলে পরিবার সরকারি বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত না হয় , সেদিকে নজর রয়েছে। পাশাপাশি এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে জানান তিনি ।

আরও পড়ুন...

মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ বিজিবির হাতে ১০ জন আটক

Al Mamun Sun

কুড়িগ্রামে উদ্বারকৃত গো-মূর্তি উত্তরবঙ্গ জাদুঘরে হস্তান্তর

Al Mamun Sun

মুজিববর্ষে এমপি কমলের উপহার টমটম পেলো প্রতিবন্ধী লিটন

Al Mamun Sun
bn Bengali
X