26 C
Dhaka
শুক্রবার, ৭ মে ২০২১, | সময় ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ

নিয়ামতপুরে জমজমাট কোরবানির পশুর হাট করোনার বালাই নেই ।। 

মোঃ ইমরান ইসলাম, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে ক্রেতা ও বিক্রেতার পদচারণে জমজমাট হয়ে উঠেছে কোরবানির পশুর হাটগুলো, তবে কেউ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনেকের মুখে নেই মাস্ক।নিয়ামতপুর বটতলী গরুর হাটে ক্রেতারা এবার বড় গরু তুলনায় ছোট গরুর পছন্দ করছে একটু বেশি । প্রতি বছর কোরবানি ঈদের আগে জমজমাট হয়ে ওঠে  এই হাট। কিন্তু এ বছরের চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। অন্যবার  বটতলী হাট দাখিল মাদ্রাসা মাঠের সামনে থেকে আশপাশের ফাঁকা জায়গায় কোরবানির পশু ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের আনাগোনায় মুখর থাকত। কিন্তু এবার ততটা নয়। করোনা পরিস্থিতি নিয়ামতপুর বটতলী বাজারের গরুর হাটের দৃশ্য বদলে দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাটে গরু নিয়ে আসা বিক্রেতারা। নিয়ামতপুর উপজেলার বটতলী পশু হাটে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপারী-বিক্রেতারা পশু এনে এ হাটে অবস্থান করছেন। ব্যাপারী, খামারী ও ক্রেতারা হাট কর্তৃপক্ষের আদেশ-নিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাটে অবস্থান করছেন। বারবার ইজারাদার কর্তৃপক্ষ মাইকে ঘোষণা দিচ্ছেন, ‘মাস্ক ছাড়া কেউ হাটে প্রবেশ করবেন না।’ গরু বিক্রেতাদের উদ্দেশে বলা হচ্ছে, ‘হাটে পশুচিকিৎসক অবস্থান করছে, গরুর কোন সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ  নিন।নিয়ামতপুর উপজেলার রামনগর গ্রাম থেকে গরু নিয়ে এসেছেন শামসুদ্দিন হোসেন। তিনি এই প্রতিবেদকে বলেন, প্রতি বছরপরের মতো এবারও হাটে ক্রেতারা আসছে। যারা আসছেন তাদের বেশি ভাগই ছোট গরু খুঁজছেন। তুলনামূলক বড় গরুর চাহিদা না থাকায় কেউ দাম বলছেই না। ক্রেতাদের চাহিদা এবার ছোট গরু দিকে।তবে গত বছর যে গরু ৯০ হাজার টাকায় বিক্রিয় হয়েছে, ক্রেতারা এবার সেসব গরুর দাম ৭০ থেকে ৭৫  হাজার টাকা বলছে। সব মিলিয়ে গত বছরের তুলনায় এবার গরু প্রতি ১০ থেকে ১২  হাজার টাকা কম দামে বিক্রয় করতে হচ্ছে।তিনি আরো বলেন, আমি ৩ টি গরু এনেছি মাঝারি সাইজের। কিন্তু খুবই চিন্তায় আছি যে এই হাটে  আমার সব গরু বিক্রি হবে কি। কোরবানির গরু কেনার উদ্দেশে মান্দা উপজেলার বালুবাজার গ্রাম থেকে এসেছেন রহিম মিয়া নামে এক ক্রেতা। তিনি  বলেন, প্রতি বছর ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকার মধ্যে গরু কিনি। যেহেতু কোরবানি দিতে হবে, তাই গত বছরের তুলনায় কম দামের গরু কিনতে চাই। এ বছর বাজেট ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। আমার মতে অধিকাংশ মানুষই এবার ছোট গরু কিনবে, কারণ করোনা ভাইরাসের জন্য এবার মানুষের আয় কমে গেছে।গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম একটু কম।হাটে ক্রেতা কম হওয়ায় বিক্রেতারা একজন ক্রেতা পেলেই তাকে ঘিরে ধরছেন।বিক্রেতারা বলছেন, ভাই আমার গরু দেখেন। ভালো গরু,মাংস ভাল হবে, কম দামেই ছেড়ে দেব।বটতলী হাটের ইজারাদারের পক্ষে হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে গতবছরের মতো হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতা আসছে না,তাই গরু কম কেনাবেচা হচ্ছে।সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে চলছে বটতলী হাটে গরুর কেনাবেচা। গরু হাটে কেউ মাস্ক ব্যবহার না করলে, তাদেরকে মাস্ক ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। জানা গেছে, নিয়ামতপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট বড় ৪ টি স্থানে কোরবানি পশুর হাট বসেছে। এর মধ্যে একটি স্থায়ী এবং তিনটি অস্থায়ী। স্থায়ী একটি হাট বসছে ছাতড়া পশু হাটে। অস্থায়ী তিনটি হাটগুলো বসেছে –  বটতলী হাট, বরেন্দ্র  মাদ্রাসা হাট,  ও শাংশৈইল হাট।

আরও পড়ুন...

সুনামগঞ্জ শাল্লায় হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর হামলায় ছাত্র ইউনিয়নের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন।

Al Mamun Sun

নড়াইলে ছোট ভাইয়ের হাতে পুলিশের এস আই বড় ভাই খুন

Al Mamun Sun

রৌমারীতে একজন করোনায় আক্রান্ত

Staff correspondent
bn Bengali
X