29 C
Dhaka
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, | সময় ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

দুর্নীতি আর অনিয়ম আতুর ঘর কোটাকোল ইউনিয়ন পরিষদ। থানায় সাধারণ ডাইরী!!

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ১০ নং কোটাকোল ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান  চেয়ারম্যান মারিয়া বেগম দুর্নীতি ও অনিয়ম করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে চেয়ারম্যান মারিয়ার বেগমের  নামে নানা ধরনের অনিয়ম দুর্নীতির অনেক কথা বেরিয়ে আসে, তার মধ্যে ভাতা প্রদান, রোড ম্যান্টেন্যান্স প্রোজেক্ট  এল জি ই ডি , লোহাগড়া,  নড়াইল, সরকার কতৃক গভীর নলকুপে অতিরিক্ত  অর্থ গ্রহন, ঈদুল আযাহার ভি জি এফ এর চাউল বিতরনে অনিয়মের তথ্য এবং প্রতিবন্ধী  ভাতা দেওয়ার জন্য অর্থ গ্রহনের কথা বেরিয়ে আসছে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী মালেকা বানু স্বামী সালাউদ্দিন গ্রামঃ মাইগ্রাম, লোহাগড়া নড়াইল, ইতি বেগম স্বামী জাকির শেখ, গ্রাম চরকোটাকোল, লোহাগড়া, নড়াইল, আমারা আর এম পি প্রোজেক্ট  যা এল জি আর ডি নিয়ন্ত্রণ করে। এই প্রোজেক্টে চাকুরীর জন্য গেলে চেয়ারম্যান  মারিয়া বলেন প্রত্যেকের ২০ হাজার টাকা লাগবে তাহলে চাকুরী  দিতে পারবো। তখন কয়েক দিন সময় নিয়ে  মালেকা বানু আঠার হাজার টাকা ও ইতি বেগম সতের হাজার ছয়শত  টাকা সরাসরি  ১০ নং কোটাকোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান  মারিয়া বেগমকে প্রদান করেন। জাহানারা বেগম স্বামী জামাল, গ্রাম কোটাকোল  তিনি  ইউনিয়নের ওয়ার্ড মেম্বর খোকন এর মাধ্যমে চেয়ারম্যান মারিয়াকে কুড়ি হাজার টাকা দেন। এই বিষয়ে উপজেলা প্রোকৌশলী অভিজিৎ রায়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন এমন কিছু  আমার জানা নাই, যদি ভুক্ত ভুগীরা অভিযোগ দিলে ব্যবস্হা নিবো। মান্নান মোল্যা,  গ্রাম মাইগ্রাম ,  লোহাগড়া, নড়াইলের নিকট থেকে  নগদ ৪০০০ /- টাকা গ্রহন করে প্রতিবন্ধী  ভাতা করে দেন কোটাকোল  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মারিয়া বেগম। জন স্বাস্থ্য প্রোকৌশল লোহাগড়া, নড়াইলের  মাধ্যামে  ৭০৩৫/- চালান মারফত ব্যাংকে জমা করে গভীর নলকুপ নেওয়ার বিধান আছে। সেখানে ও চেয়ারম্যান মারিয়া, দুলু মাষ্টার চরকোটাকোল  এর নিকট থেকে ১৭৫০০/- টাকা এবং আহসান হাবিব চুন্নু  মাষ্টারের নিকট থেকে ১৫০০০/- গ্রহন করে গভীর নলকুপ দেওয়ার জন্য। উপজেলা ইন্জিনিয়র স্বাস্থ্য  শাহীনুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। ঈদুল আযাহার ভিজিএফ এর চাউল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন ১০ নং কোটাকোল  ইউনিয়নের  ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত  মহিলা মেম্বর শরিফা বেগম বলেন আমাকে ১২০ জনের নামের তালিকা দিতে বলে  এবং মাষ্টাররোলে ২১১ জনের নামে স্বাক্ষর  করতে বলে আমি স্বাক্ষর করতে রাজি না হলে  আমাকে ও আমার স্বামী মাসুদ চৌধুরী কে নানা প্রকার ভয় ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। সে কারনে আমার স্বামী লোহাগড়া  থানায়  একটি সাধারণ  ডাইরী করেন যার নং১৯৯ তাং৬/৮/২০২০।

আরও পড়ুন...

মোংলায় হরিনের মাংসসহ এক শিকারী আটক

Staff correspondent

নড়াইলের নড়াগাতী থানার ওসির বিরুদ্ধে পুলিশ হেডকোয়াটার্সে লিখিত অভিযোগ দায়ের

Staff correspondent

ভোলা চরফ্যাশনে ৫ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ।

Staff correspondent
bn Bengali
X