32 C
Dhaka
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, | সময় ৫:২১ অপরাহ্ণ

শিক্ষক দিবস নিয়ে বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের অনুভুতি!

সজিবুর রহমান,বশেমুরবিপ্রবিঃ

শিক্ষায় জাতির মেরুদণ্ড।আর সেই মেরুদণ্ড গঠনের কারিগর শিক্ষক সমাজ।শিক্ষক হলেন আলোর দিশারি,একটি জাতির পথপ্রদর্শক।এমনি সব অনুভূতি,মতামত প্রকাশ করেছেন গোপালগঞ্জ এর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাজিব হোসেন বলেন,”পিতা-মাতা পরে শিক্ষকের স্থান। শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আমার এটাই চাওয়া শিক্ষকদের কে যথাযথ মূল্যায়ন করা হোক এবং যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হোক।  শিক্ষক জাতির ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর।  সমাজের সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে বাঁচতে পারে সেই জায়গাটা তৈরি করে দেয় উচিত আমাদের সমাজের নীতি নির্ধারকদের। শিক্ষককে সমাজের দর্পণ হিসেবে মূল্যায়ন করা হোক।”
একই বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মুশফিকুর হৃদয় বলেন,”শিক্ষক মানুষের ইন্দ্রিয় ৬টা। ৬ষ্ঠ হচ্ছে শিক্ষা এবং দীক্ষা।৬ষ্ঠ ইন্দ্রিয় জাগ্রত হলে তবেই সে পরিপূর্ণ মানুষ। আর এ ইন্দ্রিয়টি জাগ্রত করানোর মহৎ দায়িত্ব যাদের উপর তারাই শিক্ষক। কোথায় যেন পড়েছি ৭০-৮০ এর দশকে শিক্ষক রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় ছাত্ররা তাদের পিছু নিতো, শিক্ষকের ২,৪ টা কথা শুনার জন্য,মৌমাছি যেমন মৌচাক কে ঘিরে রাখে তেমনি ছাত্ররা ঘিরে রাখতো শিক্ষকদের, জ্ঞান ক্ষুদা নিয়ে,জ্ঞান আহোরনের জন্য। কিন্তু হায় কি অধোপতন শিক্ষকদের আজ পুলিশি পাহারা নিয়ে চলতে হয়।৭০ দশকের শিক্ষক আমার কাম্য।”
এ সম্পর্কে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জয়নাল আবেদীন জিহান বলেন,”শিক্ষকরা একটা জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। পেশাগত দিক থেকে বিচার করলে শিক্ষকতা হচ্ছে সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন পেশা। ‘শিক্ষা’ শব্দটি আমাদের জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে ওতোপ্রোতো ভাবে। আর যারা আমাদের শিক্ষা প্রদান করেন তারাই আমাদের শিক্ষক বা পথপ্রদর্শক। আমাদের প্রথম বর্ণমালা শিখা থেকে শুরু থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে থাকি শিক্ষকদের থেকে। বইয়ের বাহিরের ছাড়াও তারা আমাদের শেখায় একজন ভালো মানুষ হতে, ন্যায় অন্যায়ের পার্থক্য। আমাদের সেই পথপ্রদর্শকদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের স্বীকৃতিস্বরূপ পালিত হয় শিক্ষক দিবস।”
সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের মো.নাহিদুল ইসলাম বলেন,”আমার কাছে শিক্ষকের মর্যাদা সম্মান সবক্ষেত্রেই অসীম ছাত্র জীবন এমনকি ছাত্র জীবন ব্যতীত উভয় স্থানেই৷ তাদের কাজের প্রতি সব সময় কৃতজ্ঞ থাকতে বাধ্য। তাদের কে সম্মানের স্থানে রেখেই সব সময় শ্রদ্ধা করে যাব।”
বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আরাবিয়া স্নেহা বলেন,”পৃথিবীর সব সন্তান যেদিন পশুজাত থেকে মনুষ্যত্বে পরিনত হবে সেদিন সব শিক্ষকদের মানসিক শ্রম সার্থক হবে।  গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা তাদের প্রতি যারা এদেশের মানুষের বিবেককে মনুষ্যত্বের অধিকারী করে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে”
সানজানা সুলতানা বলেন,”একজন সফল মানুষের পিছনে শিক্ষকের যে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা থাকে সেটা নতুন করে বলার কিছুই নেই। সে শিক্ষক যে পড়াশোনার ক্ষেত্রেই হতে হবে তেমন নয়।তিনি থাকতে পারেন জীবনের যে কোনো ক্ষেত্রেই। তিনি যে শুধুই পড়ুয়াকে শেখাবেন তা নয়।তিনি থেকে জীবনে চলার পথে পরামর্শ দেবেন, ব্যর্থতার পাশে দাড়িয়ে উৎসাহ দেবেন।সাফল্যের পথে নতুন লক্ষ্য স্থির করে দেবেন।তিনি জীবনে শুধু সফল নয় একজন ভাল মানুষ হতে সেখাবেন।প্রতিটি সফল মানুষের পিছনে রয়েছেন একজন আদর্শ শিক্ষক।”
একটি মানুষের শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে পিতামাতার পরেই শিক্ষকের অবস্থান।জাতিগঠনের হাতিয়ার তাঁরা।তাদের অবদান অনস্বীকার্য।শিক্ষক দিবসে এই মহান পেশায় নিয়োজিত মানুষদের জানায় গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

আরও পড়ুন...

কলাপাড়ার মেধাবী স্মিতার সাফল্য মেডিকেল কলেজে সুযোগ ॥

Staff correspondent

বুয়েটে আন্দোলন শিথিল, যথাসময়েই ভর্তি পরীক্ষা

Staff correspondent

আইইউবিএটির ইইই অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

Staff correspondent
bn Bengali
X