25 C
Dhaka
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, | সময় ২:১৮ অপরাহ্ণ

অসহায় পৃথিবী ! ! !

পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে আজও অবধি পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি স্বাধীন কিংবা পরাধীন দেশের শাসকের শক্তি ক্রমহ্রাসমান হারে বৃদ্ধি স্বরূপ ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধির মাত্রা লম্ব অক্ষ ছেদ করে প্যারেরাল সার্কিটে আকার ধারণ করে। ফলে শক্তি ক্রমান্বয়ে চতুর্প্বাশে প্রবাহিত হতে থাকে। যার ফলশ্রুতিতে ক্ষনস্থায়ী পৃথিবীতে শাসকের পাকস্থলীতে শক্তি সঞ্চয়ের মাত্রা ক্রমাগত বেড়েই চলছে। যার প্রভাব বিদ্যুৎ গতিতে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। যার গতিবেগ ঘন্টায় ৮০০ কি.মি তথা এর চেয়েও অধিক হতে পারে। যা মোকাবেলা করা খুবই কঠিন ও জটিল। এরপরও ঈমানের দৃঢ়তার মনোভাব অধিকারী এবং পৃথিবীর মানদন্ড যাচাই করণের তালিকায় প্রথম স্থানে অধিষ্ঠিত হওয়া শ্রেষ্ঠ মহামানব পর্যন্ত এই ধরনের সমস্যা যেমন- তুফান, সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড়, হারিকেন,আইলা,আম্ফান এবং সর্বশেষ কোভিড-১৯ এর মত বিপদ সংকেতের মুখোমুখি হয়েছিল। যা দৃঢ় মনোবল সম্পন্ন মহামানবের নিকট খুবই অস্বাভাবিক ছিল তা নয়। কেননা অদৃশ্য শক্তি তাদের কাছে দৃশ্যমান শক্তির চেয়ে ও খুব বেশি ভয়ংকর তা মেনে নেওয়া অতি সুক্ষ্ম কিংবা অতি  ক্ষুদ্র জ্ঞানের ভান্ডারে অসম্ভব ছিল। 
পাথররে ন্যায় কঠিন  এবং ইস্পাতের মত দন্ডায়মান স্বরূপ মানবের হ্নদয়ে   ঋণাত্মক মান প্রবেশ করানোর অসহায় পৃথিবীর শাস কের পক্ষে সেকালেও যেমন ছিল না তেমনি ভাবে একালেও থাকবে তা ভাবা অর্থহীনযখন পৃথিবীর সবকিছু নিজস্ব গতিতে বাধাহীনভাবে চলছিল ঠিক তখনই অদৃশ্য শক্তির প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ হতে থাকে। ফলে সব সহায়ক যন্ত্র মরীচিকার পেছনে ত্বরণের মান ঋণাত্মক করলেও হোমোস্যাপিয়েন্সরা ধনাত্মক মানে পৌছানোর প্রয়াসে অহমিকা ও দাম্বিকতা স্বরূপ সম্মুখবর্তী পথে সঞ্চালিত হতে থাকে। যদিও পশ্চাৎমুখী যোগান রেখায় আবেগজনিত চাহিদা কখনো পজেটিভ আকার ধারণ করে না। যা ঐতিহাসিক ভাবে চিরন্তন সত্য তথা অর্থনীতিবিদগন কর্তৃক তা প্রমাণিত। 
প্রথমত তথ্য প্রযুক্তির যুগে মনুষ্যরা অতি অল্প জ্ঞানে অপরিপক্কের ন্যায় তুষ্ট হয়ে সব সাধকের বড় সাধককে অকপটে সম্মান প্রদর্শন স্বরূপ ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে যা ভূবনের কর্তার নিকট খুবই অপ্রিয়। 
দ্বিতীয়ত মানবের অতিমাত্রায় কচুপাতায় পানি ধারণ ক্ষমতার স্থায়িত্বের মত পৃথিবীতে চাহিদার মাত্রা বৃদ্ধি করে উপযোগের সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছানোকর পর শূন্যতে ফিরে আসার ইতিহাস হয়তো বা ভুলে গেছে। যার দরুন রব আমাদের কর্মের প্রতিদান হিসাবে কোভিড-১৯ এর মত দূর্যোগের সম্মুখীন করে পূর্ব ঘোষিত ওয়াদার আস্ফালন ঘটিয়ে পুনরায় ধৈর্য্য ও মজবুত ঈমানের পরীক্ষায় অবতীর্ণ করছে।  যেখানে সব ধরনের অসদুপায়ের সুযোগ উম্মুক্ত করে দিয়েছে। কিন্তু প্রশ্নের সঠিক উত্তর এই ধরণীর কেউ  দিতে সক্ষম  হচ্ছে না। যুগে যুগে আবির্ভূত বিজ্ঞানীদের রেখে যাওয়া অবদান এবং বর্তমানে জ্ঞান চর্চারত বৈজ্ঞানিকের আবিষ্কার স্বরূপ সব ধরনের জীবননাশক যন্ত্রের সহায়তা নিয়েও কোভিড-১৯ এর মত অতি সুক্ষ্ম রোগ তথা সৃষ্টি কর্তা কর্তৃক ধেয়ে আসা ছোঁয়াচে রোগের সম্মুখে অতিশয় অসহায় হয়ে ভিক্ষুখের মত দিকবিদিকশুন্য মানের সমমান সিদ্ধান্ত নিয়ে অহিনকুল বিপদে পতিত হয়েছে। যা দেখে সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েছে। কেননা গোটা পৃথিবীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তথা জীবনযাত্রার মান খুবই দুর্বিসহ হয়ে পড়ছে। তৃতীয়ত একদিকে মৃত্যুর সারির ঢাল অসীমের দিকে ছুটছে অন্যদিকে শাসক কর্তৃক কার্যকরী সিদ্ধান্ত “লক ডাউনের  ” কারণে GDP এর প্রবৃদ্ধি হ্রাস তথা সমগ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা স্ফীত হয়ে পড়ছে। গোটা পৃথিবীতে এক ধরনের নিরব আত্নসমর্পনের পিলসুজে বাতি জ্বলছে। যার প্রভাব অতি হালকা মৃদু ভূ-কম্পনের মত অনুভূতি হচ্ছে। চতুর্থথ চতুর্দিকে সবকিছু হাতছানি দিয়ে অকালে ঝরে পড়ছে। যেখানে ধনী-গরিব, নেতা- কর্মী,উচ্চ বিলাসী – নিম্ন বিলাসী সহ কেউ অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর উপত্যকা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না।ফলে শাসকরা  ক্রমান্বয়ে হতাশা জনিত অবস্থায় দিনাতিপাত করে অসহায় হয়ে পড়ছে। এই সংকট উত্তোরণে  অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের গুরুত্ব এক ও অনস্বীকার্য হয়ে অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে। 
উল্লিখিত অনুচ্ছেদ অনযায়ী সর্বাধিক পঠিতব্য গ্রন্থানুসারে অল্প জ্ঞানে প্রাপ্ত বিশাল অর্জনে সাময়িক ভাবে মস্তিষ্কে নিউরনের সতেজ রাখলেও আত্ম অহামিকা স্বরূপ অদৃশ্যে বিশ্বাসের প্রতি অগ্রাহ্য দরুন ফেরাউন,নমরুদ যেমন নিমিষেই শীতল বরফের মত ঠান্ডা হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল তেমনি আজও নিরন্তর ঐধরনের উৎসবে মেতে না এমনটা ভাবা নিতান্তই নন্দিত ও গৃহীত কাজ নয় কি?পৃথিবীর এই ক্লান্তিলগ্নে সবচেয়ে বড় দায়ী হল বিবেক ও আত্মসমালোচনা। কেননা কোন সুক্ষ্ম কিংবা অগ্রজ কর্মে লিপ্ত হওয়ার পূর্বে যদি পূর্বে উল্লেখিত দুইটি উপাদানকে শূন্য মানে পরিমাপ করা হয় সেক্ষেত্রে মহা কৌশলি অনুর্বর পৃথিবীকে উর্বরতা দেওয়ার জন্য করোনা ভাইরাসের মত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটান।যার সম্মুখে আজ সবকিছুই অসহায় !  অসহায় !৷ অসহায় ! 
পরিশেষে সায়েন্টিস্ট, গণিতবিদ, সাহিত্যিকগন,ইতিহাসবিদগন এবং ধর্মযাজকদের সবকিছু অপনোদন করে ” এক ঘাটে জল খাওয়ার” শোরগোলে মেতে উঠার মুর্খম পিরিয়ড হল বর্তমান। তদুপরি আত্মসমালোচনা ও অনুশোচনা ব্যতীত কোন পরিকল্পনাই ধনাত্মক না। যদিও বা আপাতত  পক্ষে স্বাভাবিক বলে বিবেচিত। যার স্থায়িত্ব কচুপাতায় পানির স্থায়িত্বের ন্যায়  খুবই  ক্ষণস্থায়ী। যা ক্রমান্বয়ে প্রতিক্রিয়া বল,সমতা বিধান, সংযুক্তি ও  কৌণিক,অধিকরণ কারক তথা সবকিছু বিশদভাবে পর্যালোচনা করলে ঐতিহাসিক ভাবে গ্রহণযোগ্য ফলাফল  দাড়ায় – ” এক” অর্থাৎ অদ্বিতীয় ও অনন্ত অসীম।  ঐতিহাসিক ভাবে চিরন্তন অসত্য এমনটা মনোভাব পোষণ না করে – ” কুন ফাইয়া কুন”- এর গতি বিবেচনা করে কোভিড-১৯  এর মত মরণব্যাধি গজব প্রতিহত করা ছেলেমি মানসিকতা কখনো সকলের তরে নন্দিত হিসেবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয় না।তা-ই  তো বলি—————                 ”  প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ ব্যতীত                   জাগতিক সম্পদ আজ নিতান্তই                     অসহায় ! অসহায় ! অসহায় ! ”                                      লেখক : মোহাম্মদ ছিদ্দিক হোসাইন ( কাজল)

আরও পড়ুন...

বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাধারন ক্ষমা করায় প্রধান মন্ত্রীকে  ধন্যবাদ জানিয়েছেন তৃনমূল আওয়ামীলীগ

Staff correspondent

ভোলায় অসহায় পরিবারের মাঝে নৌ-বাহিনীর বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ

Staff correspondent

টাঙ্গাই‌লের গোপালপুরে ভাসমান মর‌দেহ উদ্ধার

Al Mamun Sun
bn Bengali
X