31 C
Dhaka
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, | সময় ৬:৩৫ অপরাহ্ণ

গাইবান্ধায় নেটওয়ার্ক বিরম্বনায় অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা!

সুমন মন্ডল গাইবান্ধা প্রতিনিধি :

করোনা ভাইরাসের কারনে প্রায় আট মাসেরও বেশী সময় ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের স্ব-শরীরে   শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের বিকল্প হিসেবে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যে অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রম শুরুও করেছে শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো। কিন্তু গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নেটওয়ার্ক বিরম্বনায় অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত গতির ইন্টারনেট না থাকায় এই সমস্যা হচ্ছে বলে জানায় শিক্ষার্থীরা। গাইবান্ধা সদর  উপজেলার বোয়ালী  রামচন্দ্রপুর, পলাশবাড়ী উপজেলার  মনোহরপুর,বেতকাপা   ইউনিয়নের মিয়া পাড়া,  গড়দিঘী,  আরিফ খাঁ বাসুদেবপুর, রওশনবাগ, পবনাপুর, হরিপুর, ঘোড়া বান্দা , মুরারিপুর, বেতকাপা  গ্রামে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক কভারেজ না থাকায় হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।গ্রামগুলোতে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি থাকায় মোবাইলের অনেক গ্রাহক রয়েছেন। কিন্তু এখানে কোনো মোবাইল ফোন টাওয়ার না থাকায় নেটওয়ার্ক নেই। ফলে ফোন কল বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না।খোঁজ নিয়ে দেখা যায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন  ও পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের  সংযোগস্থল রওশনবাগ বাজারসহ আশেপাশের  ৭ টি গ্রামে    মোবাইল   নেটওয়ার্কের করুন দশা।    ফোরজি তো দুরের কথা টুজি অনেক সময় পায় না এই এলাকাগুলোতে  ।   অথচ এখানে উচ্চমাধ্যমিক সহ ৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে । এসব এলাকায় বসবাসরত শিক্ষার্থীরা নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকায় অনলাইন ক্লাসও করতে পারছে না।তাৎক্ষণিক এক নেটওয়ার্ক  জরিপে দেখা যায় দেশের বর্তমানে সেবা    দাতা(গ্রামীন,বাংলালিঙ্ক,রবি, এয়ারটেল ও টেলিটক) মোবাইল অপারেটর গুলোর মধ্যে কোনটিরই    নেই দ্রুত গতির ইন্টারনেট।বড় বাজার গুলোতে টাওয়ার থাকলেও প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে নেই মোবাইল টাওয়ার  । এক মোবাইল টাওয়ার থেকে অন্য মোবাইল টাওয়ারের দুরত্ব ৭ কিলোমিটারেরও বেশি।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ই-লার্নিংসহ অধিকাংশ কাজ এখন ইন্টারনেট ভিত্তিক। পোস্ট ই-সেন্টারে অনলাইন ব্যাংকি, চাকরিসহ বিভিন্ন আবেদন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পরীক্ষার ফলাফল ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা রয়েছে। ক্লিনিকেও ই-চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। কিন্তু নেটওয়ার্ক কভারেজ না থাকায় এসব সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গ্রামগুলোর লাখ লাখ মানুষ। তারা জরুরী কোনো সংবাদ বা খবরা-খবর আদান প্রদান করতে পারেন না।এলাকার অনেক ছেলে-মেয়ে দেশের বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন। অনেকে বিভিন্ন স্থানে চাকরি করেন। প্রবাসেও রয়েছেন অনেকে।স্থানীয়রা জানান, রঘুনাথপুর   গ্রামে টাওয়ার স্থাপনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া যাবে। রওশনবাগ  বাজারের ব্যবসায়ী রাজা মিয়া ও তালহা মন্ডল   বলেন, ব্যবসায়িক প্রয়োজনে অনেকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে হয়। কিন্তু নেটওয়ার্ক না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।রওশনবাগ  উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বলেন, আশেপাশের  গ্রামগুলোতে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক না থাকায় ইন্টারনেট ব্যবহার দূরে থাক ফোন কল-ই করা যায় না। ফলে করোনাকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ বা অনলাইন ক্লাস করতে পারছি না।  তাছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নানান কাজ নিয়ে চরম বিরম্বনায় পড়তে হয়। তাই এখানে একটি টাওয়ার স্থাপনের দাবি জানান তিনি

আরও পড়ুন...

মুজিব বর্ষে ১০০ জন ভিক্ষুককে পুনর্বাসন করার লক্ষে প্রস্তুতি সভা

Staff correspondent

রাণীশংকৈল কলেজে আলী আকবরের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

Staff correspondent

হরিপুরে পাঁচঘরিয়া গেরুয়াডাঙ্গীতে দুধর্ষ চুরি

Al Mamun Sun
bn Bengali
X