20 C
Dhaka
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, | সময় ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ

নোবিপ্রবি শিক্ষকদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন,দুশ্চিন্তায় শিক্ষার্থীরা

এস আহমেদ ফাহিম,নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

করোনা পরিস্থিতিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম চালু হলেও গত ১ অক্টোবর থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের নিয়োগে  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের  নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষকদের এই সিদ্ধান্তের দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মেলেনি সমাধান। এরফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডিগ্রী অর্জন ও ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। 

জানা যায়,বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের  বেশিরভাগ বিভাগের ফাইনাল সেমিস্টারের পরীক্ষা হলেও  ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ইংরেজী বিভাগ, অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগ এবং জৈবপ্রযুক্তি ও জীন প্রকৌশল বিভাগের ফাইনাল সেমিস্টারের পরীক্ষা এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় নি।এছাড়াও পরীক্ষা না হওয়ায়  এই বিভাগগুলোতে ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা  একই সেমিষ্টারে ক্লাস করছে।এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-১৪ এবং ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের অনেক বিভাগের  শিক্ষার্থীদের  সেমিস্টার ফাইনাল,  প্রজেক্ট, থিসিসের ডিফেন্স অনুষ্ঠিত হয় নি।এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বর্ষের  ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন,আমাদের ক্লাস, সিটি, এসাইনমেন্ট সব কিছু এই বর্ষের মধ্যেই শেষ করতে হবে যাতে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সাথে সাথে পরীক্ষা দিতে পারি। আমাদের জীবন থেকে ১ টা বছর নষ্ট হয়ে গেছে। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস হয় কিন্তু আমাদের ক্লাস হচ্ছে না। আবার পরীক্ষা ও ফলাফল দিতে বিলম্ব হবে এবং  চাকরির বাজারেও আমরা পিছিয়ে পড়ছি। হয়তো উনারা আমাদের কথা চিন্তা করছে না কিন্তু দিন দিন আমরা মানসিক ভাবে ভেঙে পরছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী  শিক্ষার্থীদের।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, যেহেতু সবকিছু অনলাইনেই তাই পরবর্তীতে ক্লাস বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া হবে। অতিদ্রুত বিষয়টি সমাধান হয়ে গেলে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
এবিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ দিদার-উল-আলম বলেন, শিক্ষকদের ক্লাস বর্জনে শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হচ্ছে সেটি খুবই দুঃখজনক। আগামীকাল এ বিষয়ে শিক্ষকদের ডেকে বিষয়টি সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ হয়েছে। শিক্ষা সচিব অসুস্থ থাকায় বিষয়টি সমাধান হতে দেরী হচ্ছে। আশা করি আগামী দু-একদিনের মধ্যে শিক্ষা সচিব অফিস কার্যক্রমে ফিরবেন এবং নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্যাটি সমাধান করবেন।
অনার্স এবং মাস্টার্সের শেষ  সেমিস্টারে আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে জানতে চাইলে  উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীরা এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কাছে আসলে এমতাবস্থায় কি করা যায় আমরা বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করব।

আরও পড়ুন...

ডি ইউনিটের পরীক্ষা শেষ” চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে ভর্তি যুদ্ধ

Staff correspondent

ভাষা শহীদদের প্রতি নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির শ্রদ্ধা 

Staff correspondent

হলের নির্মাণ শেষ করতে আন্দোলনে যাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা

Staff correspondent
bn Bengali
X