21 C
Dhaka
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, | সময় ৭:২৩ পূর্বাহ্ণ

রানীশংকৈল সহ পার্শ্ববর্তী উপজেলা গুলোতে বেড়েছে শীতের কাপড়ের চাহিদা

বিজয় রায় ,  রাণীশংকৈল  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

হেমন্তের শুরুতে শীতের আগমনী ধ্বনি বেজে উঠেছে, নিচে নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রা।-হেমন্ত দিবারাত্রির হিম হিমভাব যেন শীতেরই পদধ্বনি। রাত বাড়ার পর অল্পস্বল্প হলেও ভোরের দিকে বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে। কুয়াশায় মোড়ানো রাতভোর, শিশির ভেজা সকাল ও হালকা হিমেল বাতাস আভাস দিচ্ছে শীতের আগমনীর। তবে অনেকে বলছেন, শীতের বুড়ি এবার আগেভাগে কড়া নাড়ল। আর এখন সুযোগে জেলার বড় মাঠে, শিবগঞ্জে রাণীশংকৈল শিবদীঘি ও নেকমরদ বাজারে শীতের কাপড়ের ঝাঁপি খুলে বসেছেন মৌসুমী বিক্রেতারা।
 এলাকা গুলোতে ঘুরে দেখা গেছে ঠাকুরগাঁও বড় মাঠের আনছার ক্যাম্পের সামনে দেখা যায় শহরের বাজার দু পাশের ফুটপাতে ক্রেতা বিক্রতা শীতকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছে। প্রতিবছর শীত মৌসুম আসলেই তাদের বিক্রেয়ের অবস্থা বেশ ভালোই হয়।
 গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় শীত থেকে রক্ষা পেতে সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে  শুরু করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছে ক্রেতারা।
ফুটপাতের বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফুটপাতে উলের সোয়েটারের দাম পাচ্ছে ক্রেতারা ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। জ্যাকেট ১৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। ফুলহাতা গেঞ্জি ও বাচ্চাদের জামা সেট ৫০ থেকে ১২৫ টাকা পর্যন্ত।
শীতের পোশাক কিনতে আসা রায়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মিতু বেগমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, অনেক খুজা খুজির পর আমার ছেলে মেয়েসহ পরিবারের লোকজনের জন্য সোয়েটারসহ কয়েকটি শীতের কাপড় কিনেছি। 
এবং নিজের জন্য একটি উলের সোয়েটার কিনেছি। শীত বেশী পড়ার কারণে দোকানীরাও দাম বেশি চাচ্ছে। অনেক দর-দামের পর ট্রাউজার ৩ টি কিনেছি ৩০০ টাকায় ও আমার শ্বাশুরীর জন্য ১ টি সোয়েটার কিনেছি ১৪০ টাকায়। অন্য সময় এগুলো ৬০-৭০ টাকায় পেতাম। আমরা স্বল্প আয়ের মানুষ। কম দামে ভালো কিছু কাপড় পাওয়া যায় ফুটপাতে। তাই আমাদের শেষ ভরসা ফুটপাত।
শিবগঞ্জ জামালপুর ইউনিয়নের থেকে আসা কৃষক আজগার হোসেন জানান, আমার ৫ বছর বয়সের শিশু ছেলে রয়েছে। শীতের আভাসের জন্য চলে এসেছি ছেলের জন্য গরম পোশাক কিনতে। ঝুমকা বেগম বলেন,শীত তো এসেই পড়েছে। সকাল ও রাতে ভালোয় শীত পড়ছে।
 শিশুদের তো গরম কাপড় লাগবেই। তাই গরম পোশাক কিনতে আসলাম। কথা হয় বিক্রিতাদের সাথে। ফুটপাতের দোকানী মানিক হোসেন বলেন, তিন দিন ধরে বেচা কিনা ভালো হচ্ছে। সবাই বাচ্চাদের কাপড় বেশি কিনছেন। অন্যান্য পোশাক আছে কিন্তু তার থেকে বাচ্চাদের কাপড় মহিলারা বেশি কিনছে।
শীতের নিম্নবিত্ত ও ছিন্নমূল মানুষের কষ্ট সীমাহীন হলেও হাসি পুটেছে দোকানিদের। শহরের একাধিক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, গত বছরের মতো এ বছরও শীত তেমন ছিল না। তবে তিন দিন থেকে শীত বাড়ায় শীতের কাপড় বিক্রি বেড়েছে। সেই সঙ্গে দামও কিছুটা বেড়েছে বলে স্বীকার করেছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন...

করোনার উপসর্গ নিয়ে বরগুনায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের মৃত্যু, বাড়ি লকডাউন

Staff correspondent

দিল্লীতে নির্বিচারে মুসলিম হত্যা ও মসজিদে অগ্নিকান্ডের প্রতিবাদে নবীগঞ্জ উপজেলা তালামীযের বিক্ষোভ মিছিল।

Staff correspondent

নড়াইলে পল্লীতে অভিযান ইয়াবা ব্যবসায়ী 

Staff correspondent
bn Bengali
X