31 C
Dhaka
মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১, | সময় ৭:০৯ অপরাহ্ণ

চুনারুঘাটে মামির সর্বনাশে সহায়তা না করায় খুন হয় সোহাগ

কিবরিয়া চৌধুরী

হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

চুনারুঘাট উপজেলার লালচান্দ চা বাগান এলাকায় কিশোর সোহাগ (১৩) হত্যার রহস্য আড়াই মাস পর উদঘাটন হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি ফজলু মিয়া (২৫) ঘটনার মূল রহস্য পুলিশকে জানিয়েছে।

সে জানায়, তাদের কথামতো মামিকে ঘুমের ওষুধ খাওয়াতে রাজি না হওয়ায় সোহাগকে হত্যা করে তারা। পরে মরদেহ ফেলে দেয় খালে।

সোমবার চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আলী আশরাফ এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, সোহাগের বাবা হিরণ মিয়া মারা যাওয়ার পর থেকে সোহাগের মা আছমা তার সন্তানদের নিয়ে দুবাই প্রবাসী ভাই আল আমিনের বাড়িতে বসবাস করতেন।

সোহাগের মামা প্রবাসে থাকায় মামির প্রতি কুদৃষ্টি পড়ে পাশের বাড়ির তিন যুবকের। তারা কৌশলে সোহাগকে ডেকে নিয়ে তার মামিকে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়াতে বলে। সোহাগ তাদের কথায় রাজি না হয়ে তার মা ও মামিকে বিষয়টি জানিয়ে দেয়। এরপর থেকে আসামিরা সোহাগের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

গত ৪ ডিসেম্বর মধ্যরাতে বিশেষ প্রয়োজনের কথা বলে ঘর থেকে সোহাগকে ডেকে নিয়ে যান ওই তিনজন।পরদিন ৫ ডিসেম্বর নানা বাড়ির বসতঘরের পশ্চিম দিকে ধোপাছড়া খালের পানিতে গামছা বাঁধা রক্তাক্ত অবস্থায় সোহাগের ভাসমান মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনার সাথে জড়িত রঙ্গু মিয়ার ছেলে রাজুকে আটক করে। এ ঘটনায় সোহাগের মা বাদী হয়ে ৬ ডিসেম্বর চুনারুঘাট থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুন...

দেশে ফিরতে পারছেন না বেনাপোলে আটকে পড়া ১৯ ভারতীয় ট্রাকচালক

Staff correspondent

জনস্বার্থে কালিগঞ্জের ঝপঝপি নদীর প্রবাহমান খালের ইজারা বাতিল ও উন্মুক্তর দাবি এলাকাবাসীর

Staff correspondent

সুনামগঞ্জের ৫ বছরের শিশুকে নৃশংসভাবে খুন

Staff correspondent
bn Bengali
X